নারী ও শিশু নির্যাতনের তিনটি পৃথক ঘটনার অভিযোগের নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্ত করে দায়ী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে ল’ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ল্যাব)। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী ও তাঁদের পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।
২২ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে প্রকাশিত এক প্রতিবাদ বিবৃতিতে ল্যাব জানায়, তাদের প্রাথমিক অনুসন্ধানে আসমাউল হুসনাকে পুরুষ তান্ত্রিক পারিবারিক দ্বন্দ্বের জেরে জোরপূর্বক বিয়ে দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিবৃতির ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি ওই বিয়েতে সম্মতি দেননি এবং বর্তমানে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন।
এ ছাড়া মাকসুদা আক্তারকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ এবং সুমাইয়া নাজনিনকে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। সংশ্লিষ্ট দুজনও বর্তমানে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন বলে দাবি করেছে সংগঠনটি।
ল্যাব বলেছে, এসব অভিযোগের দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনতে হবে। পাশাপাশি ভুক্তভোগী ও তাঁদের পরিবারের সম্মতি এবং প্রচলিত আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আইনজীবী নিয়োগসহ প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তা দিতে সংগঠনটি প্রস্তুত রয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অভিযোগগুলো আদালতে প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত সেগুলোকে অভিযোগ হিসেবেই বিবেচনা করতে হবে। ল’ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের দপ্তর সম্পাদক মো. রিপন ফকির স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে ঘটনাগুলোর তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়।


0 মন্তব্যসমূহ
আপনার মতামতের জন্য ধন্যবাদ।